ছেলে মানোসি
শৈশবের যতসব আজগুবি ঘটনা,
বলি যে
কিছুতার একটুকু শুননা ।
টিভির ঐ
ভিতরে বন্দি যে কতলোক ,
নিত্য যে
তাহারা যাচ্ছে যে পরলোক ।
যদি থাকি
আমরা পৃথীব ভিতরে ,
চাদের ঐ
জ্যোস্না পাচ্ছি যে কি করে ।
শিক্ষার
স্রষ্টা , তাকে যদি পাইতাম ,
মেরে মেরে
চামড়া সবটুকু তুলতাম ।
দেয়ালের
ঘড়িটা কিভাবে যে ঘুরছে ,
কে যে
সেথা নিত্য ঠেলাঠেলি করছে ।
পেন্সিলের
লিপখানা কেন শুধু ভাঙ্গে যে ,
কলমের মত
তাহা কেন নাহি চলে রে ।
বড়ইয়ের
বিচি যদি ভুল করে খেয়ে নাও ,
তরতাজা
বৃক্ষ মাথা দিয়ে বুঝে নাও ।
মুন্ডুতে
ঠুকাঠুকি হয় যদি একবার ,
দুটি শিং
গজাবেই নেই কিছু করবার ।
কেউ যদি
বলত বড় হয়ে কি হবে ?
হব ভাই
ড্রাইভার গাড়িগুলো চালাতে ।
কেউ যদি
খাওয়াত ঘটকের ডিম্ব ,
ভাবিতাম
সেগুলো বড় কোনো মন্ড ।
মুখ ভরা
জল নিয়ে ফু দিয়ে চুরে দাও ,
রংধনু
উঠবে ,
মন ভরে দেখে নাও ।
কান্নার
ছলে যদি করভাই চিৎকার ,
পাগল আর
পুলিশে সারবে যে কারবার ।
বড় হও
তাড়াতাড়ি যত খুশি ইচ্ছা ,
বিয়ে যদি
না কর হবেনাতো বাচ্চা ।
খাবারের
সাথে যদি কঙ্কর গিল ভাই ,
বড় হয়ে
সেটা বুঝি পিত্ততে রয়ে যায় ।
পৃথিবীতে
দেশ বুঝি আছে ভাই একটাই ,
সে যে মোর
বাংলা আর সেথা কিছু নাই ।
সত্যিই !
সত্যিই ! বাংলার তোলনা ,
এভুবনে আর
নাই ।
[ মো: সুয়েজ ]
